নাটোর প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তৌফিক আহমেদ।  তৌফিকের বয়স ২৩, বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত।  গত ১৯মার্চ সে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার বাজিতপুরে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন।  বাড়িতে আসার পূর্ব থেকে জ্বর কাশি সহ ঠান্ডা জনিত সমস্যা ছিল। এখানে আসার পর থেকে তার এই সমস্যাগুলো বাড়তে থাকে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় চিকিৎসক ও হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেন। তৌফিক আহমেদের মা শাহনাজ দাবি করেন, ছেলে বাড়িতে আসার পূর্ব থেকে অসুস্থ ছিল।

পরে একজন মেডিকেল অফিসারের কাছে চিকিৎসা দেয়া হয়। মেডিকেল অফিসার তাকে নিউমোনিয়ার ঔষধ পত্র দেন। কিন্তু তার এই ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা এখন আরো বেশি। বর্তমানে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় আমরা একটু উদ্বিগ্ন হই। তাই বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ফরিদুজ্জামান বলেন,  আমাদের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর একটি টিম তার বাড়িতে যায়। তৌফিক আহমেদের যে উপসর্গ তাতে প্রাথমিকভাবে করোনা সন্দেহ করা হয়। রাতেই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হেয়ছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

স্থানীয়দের দাবি, সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে তৌফিক আহমেদ কে যে স্থানীয় চিকিৎসক চিকিৎসা দিয়েছেন তিনি সহ তার পরিবারকে প্রশাসনিক নজরদারির মধ্যে আনা দরকার।